রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

আহ্ছানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালসহ একাধিক প্রতিষ্টানে গোলাম-জলিল সিন্ডিকেট কেন? কি মধু আছে

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ২২, ২০২৬, ০২:৩১ পিএম

আহ্ছানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালসহ একাধিক প্রতিষ্টানে গোলাম-জলিল সিন্ডিকেট কেন? কি মধু আছে

আইন-অপরাধ ডেস্ক: ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজি রফিকুল আলমের গড়ে তোলা আহছানিয়া মিশন ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল (এএমসিজি এইচ) লুটে খাচ্ছে বর্তমান প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান ও ট্রেজারার এম এ জলিল সিন্ডিকেট।

অভিযোগ রয়েছে হাসপাতালটিতে আত্মীয়-স্বজনকে চাকরী দিয়ে পরিবেশ এলোমেলো করে ফেলেছেন ওই ডাম ট্রেজারার জলিল। ঠিকাদারী-কেনাকাটা ও হাসপাতালের ওয়েসটেজ বিক্রি করার অর্থও নানারকম কৌশলে লুটে নিচ্ছেন গোলাম-জলিল সিন্ডিকেট সদসরা।

হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সুত্রগুলো জানায় মানবিক মূল্যবোধ হারানো সুচতুর জলিল ফন্দিফিকির করে নানারকম কৌশলে ও ঠিকাদারি কাজের কমিশন নিয়ে এই হাসপাতাল থেকে কোটি টাকা ধান্ধাবাজী করে আবার এই হাসপাতালেই কিছু টাকা দান করে মানবতার ফেরিওয়ালা হচ্ছেন জলিল।

জলিল নিজেও নাকি একটি হাসপাতালের মালিক। সুত্রগুলো জানায় মুখোশপড়া ধান্ধাবাজ জলিল প্রেসিডেন্ট গোলাম রহমানকে নয়ছয় বুঝিয়ে হাসপাতালটিতে মাইম্যান নিয়োগ দিয়ে তার এই নিয়োগকৃত লোকদের দিয়ে বিভিন্ন ঠিকাদারি-উন্নয়ন কাজের কমিশন হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কোনোরকম পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই আত্মীয় আসিফকে হাসপাতালের অ্যাসিটেন্ট পরিচালক পদে নিয়োগ করেন জলিল। তিনি মাইম্যান ঠিকাদার দিয়ে ১ কোটি ৩৪ লাখ টাকার কাজ করিয়েছেন। একাজের বিল প্রদান নিয়ে নানা কাহিনী রয়েছে। আর্নেষ্ট মানি জমা নিয়ে আছে নানারক গোজামিল।

অভিযোগ ও প্রশ্ন রয়েছে আহ্ছানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালটি নির্মাণের পর এর ব্যবস্থাপনায় এ পর্যন্ত ডামের যারাই দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের কেউ ক্যাশ কাউন্টারের স্থান সরায়নি। কিন্তু জলিল কেনো সরায়লেন?
প্রশ্ন উছেছে এমন অযোগ্য লোককে এই হাসপাতালের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হলো কেনো। গোরাম রহমান কি সুবিধার বিনিময়ে ডামের ট্রেজারার জলিলকে এমন দায়িত্ব দিয়েছেন?

জানা গেছে জলিল দায়িত্ব পেয়েই আসিফ নামের মাইম্যানকে পরিচালক হাসপাতাল নিয়োগ দিয়ে লুটেপুটে খাচ্ছেন! তিনি জুলাই বিরোধী লোক নিয়োগ দিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

মানবতার ফেরিওয়ালার ভাবধরে থাকা হাসপাতালের কর্মিদের সাথে দুর্ব্যবহারকারির মাস্টার জলিল একাধিক কর্মিকে চাকরিচ্যুতও করেছেন।

হাসপাতালটির উন্নয়ন-রক্ষণাবেক্ষন ও ঠিকাদারী কাজের কমিশন আদায় এবং নিজের প্রতিষ্ঠান থেকে পোষাক সাপ্লাই, প্রতি সপ্তাহে হাসপাতালের ময়লা বিক্রির অর্থ হাতিয়ে নেওয়া থেকে পর্যায়ক্রমে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার স্বপ্নে বিভোর থাকা জলিল এখন এলোমেলো হয়ে পরেছেন।

ডাম ট্রেজার ডা, এম এ জলিলের সার্বিক বিষয় নিয়ে জলিলের সাথে মুটোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

দেশ ও মানুষের কল্যাণে দেশ-বিদেশের জনগণ ও নানা প্রতিষ্ঠানের দান-খয়রাতে গড়ে তোলা ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের মাধ্যমে রাজধানীর উওরায় আহ্ছানিয়া মিশন ক্যান্সার হ্াসপাতালটি নির্মাণ করা হলেও ডামের বর্তমান প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের অদুরদর্শীতা আর একশ্রেণির লোভী-দুর্নীতিবাজ লোকদের কারণে আজ ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে।

মানবতার ফেরিওয়ালার আড়ালে মুখোশ পড়া লোভী লোকদের হাত থেকে হাসপাতালটি রক্ষা করে সত্যিকারে মানুষের সেবায় ফিরিয়ে আনতে হবে বলে হাসপাতালের একাধিক কর্মি মনে করেন।

এদিকে ডাম প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম আর তার মাইম্যান-কলারম্যান দিয়ে ডামকে মাকড়শার মতো ঘিরে ফেলেছে। সুত্র জানায় ডামের সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের হাতে ডামের নামে একাধিক প্রতিষ্ঠান ও সম্পদ আজ বিলুপ্তির পথে ধাবিত হচ্ছে। কিছু প্রতিষ্ঠান বেঁেচ দেওয়া বা ছেড়ে দেওয়ার কথাও শুনা যাচ্ছে।

ডাম সুত্র জানায় ফ্যাসিবাদের দোসর ও সাবেক প্রধান বিচারপতি ফ্যাসিবাদ এবিএম খায়রুল হকের দোসর খুবির সাবেক প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকা সত্বেও কিভাবে ডামের প্রেসিডেন্ট হলেন?

অভিযোগ রয়েছে এবিএম খায়য়রুল হকের সহযোগীতায় ফ্যাসিবাদের শাসনামলে গোলাম ঢুকেছেন ডামে। মানব সেবায় অন অভিজ্ঞ দেশের ও মানুষের কল্যাণে যার কোনো অর্জন নেই,একজন অপেশাদার মুখোশপড়া ভন্ড লোক কুটকৌশলে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্টের পদ দখল করেছেন।

একাধিব ডাম কর্মি জানান যিনি নূন্যতম মানবতার সেবার মানসিকতার লোক না হয়েও কিভাবে তিনি মানবতার সেবার প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট হলেন? শুধু নিজের লোভের স্বার্থ চরিতার্থ করতে এবং দুর্নীতির মামলা ও অপরাধ থেকে বাচঁতে ফ্যাসিবাদের দোসর গোলাম বসেছেন ডামে। লুটে নিতে ডামের আন্য়োার ও নীলুফারকে দিয়ে চেক স্বাক্ষর করাচ্ছেন সাথে মাইম্যান হিসাব রক্ষক আজাদকেউ রেখেছেন। গোলাম নিজেও আছেন।

এদিকে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের অধীনে থাকা দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ থেকে তার মাইম্যান হিসাবরক্ষক মো: আবুল কালাম আজাদকে দিয়ে কোটি টাকা লোপাট করিয়েছেন। লোপাটের টাকায় গোলাম রহমান ভাগ বসিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি আলোকিত বাংলাদেশের আয় আজাদকে বেতনের নামে লুটে নেওয়ার সব সহযোগীতা দিয়েছেন।

দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিষ্টাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন ঢাকা আহ্ছানিয়া সিশনেরই সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম। খ্জো নিয়ে জানা গেছে কাজী রফিকুল আলম ২ বছরেরও অধিক সময় আগে পদত্যাগের কথা বলা হলেও তার নাম পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে ব্যবসা করে যাচ্ছেন গোলাম রহমান।

কোন আইনে কি ক্ষমতাবলে গোলাম রহমান আজাদ গং দিয়ে এসব অপকর্ম করছেন তার কোনো জবাব তার কাছ থেকে পাওয়া যাচ্ছে না।আলোকিত মিডিয়া লিমিটেড পরিচালনা পর্ষদও কিছুই জানেননা।

তথ্য গোপন করে পত্রিবায় কাজী রফিকুল আলমের নাম প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে প্রায় কয়েক কেটি টাকার সরকারী বিজ্ঞাপন ছেপে অর্থ তছরুপ করেছে গোলাম সিন্ডিকেটচক্র।

গোলাম রহমানের এমন জঘণ্য প্রতারনা ও অপরাধের তথ্য কাজী রফিকুল আলম কিছুইু জানেননা। তিনি গুরুতর অসুস্থ। কানে শুনেননা, কথা বলতে পারেননা।

অভিযোগ রয়েছে গোলামের মাইম্যান আজাদকে আলোকিত বাংলাদেশ থেকে মাসিক এক লাখ টাকা বেতন নেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন সাথে তাকে যুগ্মসম্পাদকের পদটিও দিয়েছেন যা শুধু অপরাধই নয় সেরাম প্রতারনা গোলাম করেছেন। এসব অপরাধের বিষয় আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদও জানেনা বলে জানা গেছে।

সুত্র জানায় গোলামের অর্থযোগানদাতা আজাদ গং আলোকিত বাংলাদেশ থেকে ইচ্ছেমত বেতন নেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন প্রাইম ব্যাংকের মাধ্যমে।

ফরমায়েশি অডিট:

এদিকে চুরি-লুটপাট বৈধ করতে ফরমায়েশি অডিট করাচ্ছে আজাদের বন্ধু ঘুষে অডিট ডাম কো: সেক্রেচারি রফিকুজ্জামান রফিক।অভিযোগ রয়েছে কৌশলে গোলামের চোর সিন্ডিকেটকে বাচাঁতে অডিট করাচ্ছে আলোকিত বাংলাদেশ।

ডাম হিসাব রক্ষক রফিকের বন্ধু আজাদও বলে বেড়াচ্ছে অডিটটা হলেই নাকি সে দেশের সেরা সৎ লোকের উপাধী পেয়ে যাবেন।

প্রশ্ন হচ্ছে ঘুষে অডিট রফিক ঘুষেই ফরমায়েশি অডিট করিয়ে চোর সিন্ডিকেটকে নিয়ে বের হচ্ছেন নাকি?

অভিযোগ রয়েছে ডামের নিয়ন্ত্রণে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ দেখিয়ে সুক্ষ প্রতারনা চালিয়ে যাচ্ছে গোলাম সিন্ডিকেট। পত্রিকায় অর্ধমৃত সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের নাম ব্যবহার করে এবং স্ক্যান-সাইন দিয়ে নানারকম প্রতারনা তার মাইম্যান আজাদ করলেও গোলাম রহমান এসবের কোনো প্রতিবাদ করছেননা। কারন প্রফেসর ড. গোলাম রহমান এসব অপকর্মের মূল অংশীদার। তার নির্দেশেই আজাদ এসব অপরাধ করছেন। তিনি সবই জানেন। ভন্ড বলেই গোলাম রহমান চুপ থেকে সুবিধা নিচ্ছেন।

ডাম সুত্র জানায় পত্রিকাটি কাজী রফিকুল আলম চালিয়ে নিতে প্রচুর ঘাত-প্রতিঘাতের শিকার হয়েছেন। আর সেই প্রতিষ্টান এখন লুটের আখড়ায় পরিণত করেছেন গোলাম রহমান।

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের নামে ঢাকার সাভারসহ বিভিন্ন জেলায় প্রচুর জমি-সম্পাদ ও প্রতিষ্টান গড়ে তুলেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম। আজ তার গড়ে তোলা সম্পদের উপর বসে গোলাম তার সিন্ডিকেট নিয়ে লুটে-পুটে খাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ডামের নামে থাকা সম্পদ ও জমি বিক্রি করে অর্থ হাতানোর ষড়যন্ত্র চলছে. কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান ছেড়ে দেওয়ার পায়তারাও করছে। বিক্রিও করে দিয়েছেন!

 

 

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!