শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর, ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তারাই ৯১ গ্রাহকের ৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: অক্টোবর ৮, ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম

অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তারাই ৯১ গ্রাহকের ৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ

আইন-অপরাধ ডেস্ক: রাজধানীর পাশর্^বর্তী জেলা মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক শাখায় অতিরিক্ত সুদে ভুয়া এফডিআর ও চেক জালিয়াতির মাধ্যমে ৯১ গ্রাহকের প্রায় ৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ৫ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুদকের সহকারী পরিচালক মাহাথীর মোহাম্মদ সামী ও উপসহকারী পরিচালক মো. রবিউল ইসলামসহ সংস্থাটির একটি দল ওই শাখায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের অনুসন্ধানে এখন পর্যন্ত ৯১ জন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের বক্তব্য গ্রহণ করে আট কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮২৬ টাকা আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের সংখ্যা ২০০ জনের বেশি হতে পারে বলে ধারণা করছে অনুসন্ধান দল।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ক্যাশ অফিসার মো. জিন্নাহ হোসেন, সাবেক ব্যবস্থাপক ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার রেজাউল হক, সাবেক ব্যবস্থাপক ও প্রিন্সিপাল অফিসার মো. শরীফ উদ্দীন, নিরাপত্তাকর্মী রঞ্জু আহমেদ ও সাময়িক বরখাস্ত হওয়া নিরাপত্তাকর্মী আব্দুল হাই। তাদের শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে।

দুদক জানায়, গ্রাহকদের বেশি সুদ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভুয়া এফডিআর তৈরি করা হতো। পাশাপাশি চেক জালিয়াতি, ভুয়া জমা স্লিপ তৈরি এবং ব্যাংক হিসাবের তথ্য পরিবর্তনের মাধ্যমে গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত ১৯ জন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে আট কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮২৬ টাকা আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে অনুসন্ধানে আরও গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এ সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছে দুদক।

অভিযোগের বিষয়ে আরও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের সংখ্যা ও আত্মসাতের অর্থের পরিমাণ নির্ধারণে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় দ্রুত এফআইআর দায়ের করা হবে বলেও দুদক সূত্রে জানা গেছে।ফাইল ছবি

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!