আইন-অপরাধ ডেস্ক: দেশ ও মানুষের কল্যাণে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনে চলছে গুরু-শিষ্যের ভাগ-বাটোয়ারা। একজন লোভী ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ গোলাম রহমান প্রেতিডেন্টের দায়িত্ব পেয়ে ডামের কোথায় কি সুবিধা পাওয়া যাবে, কিভাবে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া যাবে এসব নিয়েই বেশী ব্যস্থ। অভিযোগ আছে প্রেসিডেন্ট গোলাম রহমান শুধু যে একজন প্রতারক বা ঠকবাজ তাই না। ডাম যেসব প্রতিষ্টান তৈরী করেছে নের্তৃত্ব দিয়েছে সেসব প্রতিষ্টানে মাইম্যান নিয়োগ করে গোলাম সুবিধা হাতায় নিচ্ছেন। এতে মুল সহযোগীতা করছেন শিষ্য ও কোম্পানীর সেক্রেটারী মো: রফিকুজ্জামান রফিক।
লুটপাট করতে ডামের নিয়ণন্ত্রাধীন মিডিয়া হাউস দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকায় আলোকিত মিডিয়া লিমিটেড-এর পরিচালনা পর্ষদকে না জানিয়ে ডামের একজন সাধারণ হিসাব রক্ষক মো: আবুল কালাম আজাদ নামক একজনকে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশে ডেপুটেশনে পাঠিয়ে লুটে খাচ্ছে গোলাম সিন্ডিকেট। এর আগে কৌশলে ডামের কাউকে না জানিয়ে রফিক গং আজাদকে ডামের হিসাব রক্ষক নিয়োগ পাইয়ে দেয়। পটপরিবর্তনের পরে নিয়োগ অর্থরটি না হয়েও হিসাবরক্ষককে পত্রিকাটির যুগ্ম সম্পাদক বানিয়ে সুবিধা আদায় করছে গোলাম। তার অপরাধের অপর সঙ্গী বড় মাইম্যান ওই কোম্পানী সেক্রেটারি রফিকুজ্জামান রফিক ফায়দা লুটতে এখন গোলামকে কুপরামর্শ দিয়ে মামলাবাজীতে নামিয়ে দিয়েছের। এই রফিক কিছুদিন আগে গোলাম রহমানের কথায় এক কোটি টাকা ঘুষ দেয় একটা সরকারি অফিসকে। বিভিন্ন সময় কয়েকটা চেকের মাধ্যমে রফিককে এই এক কোটি টাকা দেয়া হয়। এই টাকা ক্যাশ করে ঘুষ না দিয়ে রফিক, আজাদ আর গোলাম রহমান ভাগ করে নেয় বলে সুত্রটি জানায়। এসব বাটপারির লুটের তথ্য গোপন করতে গোলাম রহমান করা নির্দেশ দেয়।
সারা জীবন মেধা-শ্রম দিয়ে ঢাকা আহাসানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতাল তৈরী করা সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমকে কোনঠাসা করে বিদায় দিয়ে কৌশলে গোলাম সিন্ডিকেট দখল করে খাচ্ছে। এসব তথ্য ডেইলি খবরে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করায় ডেইলি খবর সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের করাসহ হুমকী-ধামকী প্রদানকরা হচ্ছে। এসব ভয়ভীতি দেখিয়ে সাংবাদিকদেও দমানো যায় না। তথ্যও গোপন করা যায় না। প্রকাশ একদিও হয়োু যায়।
ডামের এই ত্রিরত্ন মামলা পরিচালনার নামে আরও কিছু অর্থ লুটেপুটে খাওয়ার ফন্দিফিকির করছে। ডামে গোলাম-রফিক-আজাদ সিন্ডিকেট নানারকম অপকর্ম চালিয়ে নানারকম মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ডামকে বিতর্কীত করে ফেলছে।
এদিকে গোলামের আরেক মাইম্যান মধ্যপ্রাচ্যে লেবারগিরি করে দেশে ফিরে কৌশলে ডামে ঢুকেছেন। এখন তিনি দেশে ডাক্তার জলিল হিসাবে পরিচিত। মানবতার ফেরিওয়ালা। ডামের ক্যান্সার হাসপাতালে এই ডাক্তার জলিল এখন প্রতি পদে পদে কমিশন নেয়। মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশী এক লেবার এখন মানবতার সেবক সেজে ডামের প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে সুবিধা খাচ্ছে। গোলাম রহমান কান্সার হাসপাতালেও অনেক অপকর্ম চালাচ্ছেন ডা. জলিলের মাধ্যম। যা মারাত্মক অনৈতিক কাজ।
এদিকে ডামের অডিট ঠিকাদার মো: রফিকুজ্জামান রফিক ডামের প্রতিষ্ঠানগুলোতে অডিট করার নামে চাঁদাবাজি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ডামের একাধিক কর্মি জানান ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সাবেক প্রেসিরডেন্টের অক্লান্ত পরিশ্রমে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানগুলোর জমি-সম্পদ বিনষ্ট করতে এবং নানরকম ফন্দিফিকির করে সম্পদ বিক্রি করার ধান্ধা করছেন ওই ফটকাবাজ ত্রিরত্ন। তারা বলেন গোলাম রহমান যে কতবড় ভন্ড তার একটা বড় প্রমাণ হল সে ইয়াং সাজার জন্য এখন দাড়িতে কলপ লাগিয়ে কালো করেছে। কিছুদিন আগেও নাটক করে লাঠি ভর দিয়ে ডামে আসত। এখন লাঠি ছাড়া দৌড়ায়। কাজী রফিকুল আলমের গাড়িটা পর্যন্ত সে নিয়ে নিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে সব জায়গায় সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের নামে বদনাম করে বেড়ায় গোলাম। চলবে..

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :