আইন-অপরাধ ডেস্ক: নিজেকে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ঘোষনা করে গুরুতর অসুস্থ সম্পাদক ও প্রকাশক কাজী রফিকুল আলমের গড়া প্রতিষ্টান আলোকিত বাংলাদেশকে চোর সিন্ডিকেট নিয়ে লুটেপুটে খাচ্ছেন গোলাম রহমান। অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রফেসর ড. গোলাম রহমান চোর সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে সহায়তা করছেন? চোরকে চেয়ারে রেখেই অডিট করেছেন।
ঢাকা আহছানিয়া মিশনের অঙ্গ প্রতিষ্টান আলোকিত বাংলাদেশ প্রতিষ্টা করেন এই এনজিওটির সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম। তিনি গুরুতর অসুস্থ অর্ধমৃত অবস্থায় বিছানায় শুয়ে দিন কাটাচ্ছেন। এই সুযোগে চোর সিন্ডিকেট আখের গুছিয়ে নিয়েছে |
এদিকে এরআগে সম্পাদকের পদত্যাগ করার ভূয়া প্রচার চালিয়েছেন গোলাম সিন্ডিকেট। প্রায় ৩ বছর গুরুতর অসুস্থ সম্পাদক ও প্রকাশক কাজী রফিকুল আলমের নাম প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে ব্যবসা চালিয়ে আলোকিত বাংলাদেশের আয় করা অর্থ বেতন গ্রহণ ও পরিচালনার ব্যয়ের নামে লুটে খেয়েছে গোলামের নেতৃত্বে চোর সিন্ডিকেট।
গোলামের সিন্ডিকেট আলোকিত বাংলাদেশ দখলে নিয়ে লুটেপুটে খাওয়া নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে গোলামের চোর সিন্ডিকেট সদস্য অডিট করার নামে নাটক করে ডামের ঘুষে অডিট ঠিকাদার মো: রফিকুজ্জামান রফিক।
লুটেপুটে খেতে তিনি তার বাল্যবন্ধু আবুল কালাম আজাদকে ডামের হিসাব রক্ষক পদে চাকরি দিয়ে ডেপুটেশনে আলোকিত বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়।
আজাদ বেতন ভাতার নামে ও নানারকম খরচ দেখিয়ে গত আড়াই বছরে বিপুল পরিমান অর্থ হাতিয়ে নেয়। প্রশ্ন হচ্ছে যার বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ তাকে চেয়ারে রেখেই কৌশলে অডিট চালায় ঘুষে অডিট রফিক।
ঠাকুর ঘরে কে-রে আমি কলা খাই না।
এদিকে এই ঘুষে অডিট রফিক ডামের গড়া প্রতিষ্টানগুলো থেকে নানাভাবে ঘুষ খেয়ে-নিয়ে থাকেন বলে একাধিকসুত্র জানিয়েছে।
এরআগে আলোকিত বাংলাদেশে তার নেতৃত্বে ডাম ট্রেজারার ডা. এম এ জলিলের মোড়লিপনায় অডিট করার নামে নাটক করতে আসে।
এসব সাজানো নাটকে কোনো অনিয়ম না পেলেও রফিক ও তার অডিট টিম হাজার হাজার টাকার দুপুরের লান্চ ও বিকালের নাস্তা খেয়েছেন। প্রশ্ন হচ্ছে এটা কি অনিয়ম ছিল না?
তখন ডামের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে ছিলেন কাজী রফিকুল আলম। তিনি এ অনিয়ম ঘুষের তথ্য কিছুই জানতেন না, তাকে জানানো হয়নি।
আলোকিত বাংলাদেশের ওই ডেপুটেশন আজাদ তার বন্ধু রফিককে এসব খাওয়ানোর খরচের অর্থ আলোকিত বাংলাদেশের হিসাব থেকেই দিয়েছেন।
বিষয়টি সম্পাদক ও প্রকাশক কাজী রফিকুল আলম কিছুই জানতেননা। তাহলে কি দাড়ালো চোরে চোরে..এক চোরে বিয়ে করে আরেক চোরের শালী।
সুত্র জানায় সব চেয়ে বড় তথ্য গোলাম-আজাদ ও রফিক এই ৩ জনই ডামের নতুন মুখ। তারা তিন জনই ডামে ঢুকে লুটপাটের ফন্দিফিকির করে নিজের আখের গুছিয়ে নেওয়ার ধান্ধা করাই যেনো তাদের মুল কাজ বলে অভিযোগ রয়েছে।
ডাম সুত্র জানায় বন্ধুর কাছে এসেছিল প্রতিবন্ধী কুটায় মাসিক ১৫-২০ হাজার টাকার বেতনের একটা চাকুরির জন্য। বন্ধর ভবিষ্যৎ গুছিয়ে দিতে ও নিতে সুক্ষ কৌশলে ডামের হিসাব রক্ষক পদে ৪৫ হাজার টাকা বেতন নির্ধারন করে চাকরি দেয় রফিক।
এই সুযোগে লুটেপুটে খেতে ডামের অঙ্গ প্রতিষ্টান আলোকিত বাংলাদেশে ওই পদে ডেপুটেশনে পাঠিয়ে দেয় রফিক। এবং পরিকল্পনা মোতাবেক কাজ করে দখলে নেয় আজাদ-রফিক।
দখলে নিয়েই আজাদ নিজের পদবী পরিবর্তন করে লাখ টাকার উপরে বেতনের নামে আলোকিত বাংলাদেশের আয়ের অর্থ লুটে নিয়ে যাচ্ছে গোলামের মাইম্যান হিসাব রক্ষক আবুল কালাম আজাদ। এ লুটের তথ্য বন্ধু রফিক আগে থেকেই জানত। সেলামী পেয়ে বিষয়টি গোপন রাখেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ডাম নির্বাহী কমিটি এসব অপরাধীদের অপরাধ না দেখার ভান করে ডুব মেরে আছেন বলে জানা গেছে। ডাম সুত্র জানায় সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠানগুলোতে নয়া শকুনের চোখ পরলেও নির্বাহী কমিটির কোন প্রতিবাদ নেই।
এদিকে খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের এক সময়ের আলোচিত দুর্নীতিবাজ সাবেক ভিসি ফ্যাসিবাদের দোসর লোভী প্রফেসর ড. গোলাম রহমান জোর করে নিজেকে নিজেই আলোকিত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব নিয়েছেন। যা সম্পূর্ণ অবৈধ। বিষয়টি নিয়ে ডাম নির্বাহী কমিটির কোনো বক্তব্য নাই।
ডাম সুত্র জানায় বাটপার প্রতারক গোলাম পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক কাজী রফিকুল আলমের স্বাক্ষরিত নিয়োগ প্রাপ্তদের কোনো কারণ ছাড়াই বকেয়া পাওনা না দিয়ে আটকে রেখেছেন বেতন-ভাতাও।
প্রতারকচক্র পত্রিকাটির সমস্ত দায়-দেনা বিপদ-আপদ অনুযোগ-অভিযোগ কাজী রফিকুল আলমের উপর রেখে তাকে প্রকাশক হিসাবে প্রিন্টার্স লাইনে নাম ছেপে ফায়দা লুটছে গোলামচক্র।
ডাম মালিকানা সুত্র দাবি করলে প্রিন্টার্স লাইনে একজন অর্ধমৃত গুরুকর অসুস্থ পদত্যাগকারি কাজী রফিকুল আলমের নাম কেনো প্রকাশক হিসাবে প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে পত্রিকাটির সমস্ত দায়ভার তার উপর দেয়া হচ্ছে?
ডাম থেকে বলা হচ্ছে আলোকিত বাংলাদেশ থেকে সম্পাদক ও প্রকাশক কাজী রফিকুল আলম আড়াই বছর আগে পদত্যাগ করেছেন।তবে পদত্যাগের কোনো চিঠি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসকের দপ্তরেও নাই, ৩ বছরেও কেনো দেওয়া হলো না?
এদিকে চক্রটি সম্পাদক ও প্রকাশককে না জানিয়ে এসময়ে আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের ভুয়া রেজ্যুলেশন- দেখিয়ে নিজেরা নিজেরাই পদ-পদবী ঘোষনা করেছেন, নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে এসব আয়-ব্যয়ের হিসাবসহ নানারকম সিদ্ধান্ত কার অনুমোদনে নিয়েছে জানতে চাইলে আলোকিত বাংলাদেশের চাকরিজীবী কর্মচারি অডিট টিমকে বলে দেয় তিনি নিজেই অথরটি।
আরও জানা গেছে পত্রিকাটির আয়-ব্যয়সহ নানা বিষয় নিয়ে অডিটের নামে বাটপারি প্রতারণা করে সবাইকে বোকা বানিয়েছে গোলামের মাইম্যানখ্যাত হিসাব রক্ষক আজাদ আর কোম্পানী সেক্রেটারি ঘুষে অডিটখ্যাত ঠিকাদার রফিকুজ্জামান রফিক।
পত্রিকাটির সার্বিক তথ্য গোপন করে এখন আবার প্রকাশক হিসাবে কাজী রফিকুল আলমের নাম প্রিন্টার্স লাইনে ছেপে বলা হচ্ছে প্রকিয়াধীন। প্রতারণা-বাটপারি করাই যেনো লোভী গোলামের নিত্য দিনের সঙ্গী!
গোলামের এসব অপকর্মের তথ্য প্রকাশ করলেই হুমকি-ধামকী ও মামলার ভয়ভীতি দেখান যা কখনই কাজী রফিকুল আলম করেননি।
গোলাম নিজেকে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ঘোষনা করে ডামের গাড়িতে প্রেস স্টিকার লাগিয়ে সাথে দাড়ি-চুলে কালি দিয়ে উড়ে বেড়াচ্ছেন নীল আকাঁশে।
আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকা সুত্র জানায় সরকারী নিয়ম না মেনে কোম্পানি আইন দেখিয়ে লোভী গোলাম রহমানের অবৈধ দখলদারি ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের পদে আসীন হলেও তার সম্মান রক্ষা হবে না। তার চার পাশে পাওনাদের মামলা ঘুরে বেড়াচ্ছে।
সুত্র জানায় ফ্যাসিবাদের দোসর কেয়ারটেকার সরকার প্রথা ধ্বংসকারি সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের সহযোগী লোভী ফ্যাসিষ্ট গোলাম রহমান একই সাথে এনজিও ঢাকা আহছানিয়া মিশনেরও সভাপতির দায়িত্বে আছেন।
আইন মোতাবেক পত্রিকাটির সরকারীভাবে মালিক সম্পাদক ও প্রকাশক কাজী রফিকুল আলম। তার কাছ থেকে নিয়োগ পত্র না নিয়েই নিজেকে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ঘোষনা দিয়ে পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসাবে নাম ছেপে চলছেন প্রফেসর ড. গোলাম রহমান। প্রশ্ন হচ্ছে কাজটি প্রতারণা কি না?
প্রশ্ন উঠেছে ডামের সাবেক সভাপতি কাজী রফিকুল আলমের হাতে গড়া প্রতিষ্টান আলোকিত বাংলাদেশ আজ দায়িত্বে কারা, লুটেপুটে খাচ্ছে কারা?
প্রশ্ন উঠেছে সাংবাদিকতার সামান্যতম অভিজ্ঞতা যার নাই সে এই নিয়োগ পেলেন কিভাবে? কে দিলেন এই নিয়োগ? কার পরামর্শে তিনি এগিয়েছেন?
নিয়োগটি কি বেতনভুক্ত ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, নাকি অবৈতনিক? তিনি কোনটা? তার এই দখল দারিত্বের কোনো কিছুই জানেননা সম্পাদক ও প্রকাশক কাজী রফিকুল আলম।
ডাম সুত্র জানায় আজাদ-রফিকের মাস্তানি-সন্ত্রাসীর প্ররোচনায় গোলাম রহমান নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনছেন। তেমনী আলোকিত বাংলাদেশের পাওনাদারদের একাধিব মামলায় জড়িযে পরছে ডাম।
ডামের একাধিক কর্মি জানায় গোলাম-আজাদ ও রফিককে ডাম থেকে বিতাড়িত না করলে ডামের দুর্নাম-বদনাম দিন দিন বাড়বে কমবেনা।
প্রশ্ন হচ্ছে গোলাম-আজাদ-রফিকের সন্ত্রাসী-ষড়যন্ত্রের কাছে ৭০ বছরের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্টান ঢাকা আহছানিয়া মিশন আজ কোন পথে?

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :