বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

২য় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার: গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬, ০৭:৫৫ পিএম

২য় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার: গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে

আইন-অপরাধ ডেস্ক: দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে আবারও রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন তাঁর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

প্রথম দফার চার দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার গাজী নজরুল ইসলামকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তেজগাঁও জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল। শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

বিকেল ৪টা ৪ মিনিটে ডিবির একটি সাদা গাড়িতে করে গাজী নজরুল ইসলামকে আদালতে আনা হয়। পরে তাঁকে হাজতখানায় রাখা হয় এবং বিচারকের সামনে হাজির করা হয়। শুনানির সময় তিনি আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ছিলেন।

আসামিপক্ষ রিমান্ড আবেদন বাতিল করে জামিনের আবেদন করে। তবে রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। শুনানি শেষে বিকেল ৪টা ৪৭ মিনিটে আদেশ দেন বিচারক।

২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীত দিকে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই রাতে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

পরে মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং নিহতের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।

পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন এবং মাকছুদা বেগমের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ওই রাতেই মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রিমান্ড শেষে ২২ সেপ্টেম্বর মাকছুদা বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়। অন্যদিকে গাজী নজরুল ইসলামের চার দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার তাঁকে আবার আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হয়।

এ ছাড়া বুধবার মামলার তৃতীয় আসামি ওবায়দুর রহমানকে ঢাকার বাইরে থেকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি-২। পরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।ফাইল ছবি

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!