ডেইলি খবর ডেস্ক: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে নিজ দপ্তরে প্রবেশ করেছেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। সোমবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে তিনি ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। এ সময় তার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কয়েকজন শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতারা ছিলেন।
ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান আল সাবিত বলেন, ‘আমরা একসঙ্গেই প্রবেশ করেছি।’
ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব হোসেন তন্বয় বলেন, ‘সরকার যেহেতু স্যারকে দায়িত্ব দিয়েছে, তার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আমরা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করেছি।’
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিষয়ে বিপ্লব হোসেন বলেন, ‘যাকে কোনো কাজ করতে দেওয়া হয়নি, তার কাজ নিয়ে তো শিক্ষার্থীদের শঙ্কিত হওয়া উচিত নয়। স্যারকে কাজের সুযোগ দিয়ে তাকে মূল্যায়ন করা উচিত।’
পরে রুটিন দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক আরাফাত রহমান নতুন উপাচার্যের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এ ঘটনার পর সকাল ১০টার দিকে উপাচার্য ভবনের সামনে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে নতুন উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।
চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মাহিদুর রহমান ওসমানী বলেন, ‘আমরা ওনাকে প্রত্যাখ্যান করেছি। সবাই যখন ঘুমে ছিল, তখন তিনি চুপিচুপি প্রবেশ করলেই আমরা তাকে মেনে নেব, এটা ভাবা বোকামি। তার বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে।’
সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে চুয়েটে দীর্ঘদিন ধরে অচলাবস্থা চলছে। এ দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। একই দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরাও।
গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীদের ‘সর্বাত্মক শাটডাউন’ কর্মসূচি চলছে। এ সময় তারা মশাল মিছিল, লাল কার্ড প্রদর্শনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।সংগৃহতি ছবি

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :