শাহজাহান সাজু (কিশোরগঞ্জ): দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় ৫৯ বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।
বুধবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বহিষ্কৃত নেতাদের দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এদের মধ্যে কিশোরগঞ্জ জেলায় বহিস্কৃত দুইজন হলেন, কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম চুন্নু। তিনি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য। অপরজন কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। তিনি বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি।
কিশোরগঞ্জ-১ আসনের বিদ্রোহী প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম খান চুন্নু ২০০৬ সালের ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ থাকা অবস্থায় চাকরি ছেড়ে দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। ২০০৭ ও ২০১৮ সালে কিশোরগঞ্জ-১ আসনে দল তাকে মনোনয়ন দেয়। আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পান জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম।
কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে ভোটের মাঠে রয়ে গেছেন বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল ২০০১ সালের নির্বাচনে ওই আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেয়েছিলেন। পরে আন্দোলনের মুখে প্রার্থী বদল করে তৎকালীন এমপি মজিবুর রহমান মঞ্জুকে মনোনয়ন দেয়া হয়। এরপর ২০০৮ সালের নির্বাচনেও দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হন ইকবাল।
পরে, ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি ইকবালকে মনোনয়ন দেয়। এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবালকে বিএনপি’র প্রাথমিক মনোনয়ন দেয়। এর পরপরই বাবার হাতে গড়া "বাংলাদেশ জাতীয় দল" নামের রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে সৈয়দ এহসানুল হুদা বিএনপিতে যোগ দেন। সাথে সাথেই বিএনপি’র ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে সৈয়দ এহসানুল হুদাকে চুড়ান্ত মনোনয়ন দেয়।

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :