শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩

রাগনা-বটুলী স্থলবন্দরের অবকাঠামো সংকট ও সেতুর সমস্যা দ্রুত সমাধান চায় জেলাবাসী

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: অক্টোবর ৩১, ২০২৬, ০৯:২০ পিএম

রাগনা-বটুলী স্থলবন্দরের অবকাঠামো সংকট ও সেতুর সমস্যা দ্রুত সমাধান  চায় জেলাবাসী

মোঃ রুয়েল কামাল বড়লেখা ( মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: জুড়ির রাগনা বটুলী শুল্ক স্টেশন ও ইমিগ্রেশনে  দিন দিন  কমে যাচ্ছে রাজস্ব। দীর্ঘ দেড় বছর থেকে ঝুলে রয়েছে ভেলি ব্রিজটির কাজ এতে ব্যবসায়ীরা মালামাল আমদানি রফতানি করতে সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।অন্যদিকে এই ইমিগ্রেশন দিয়ে শুধু ভারতের লোকজন পাসপোর্ট নিয়ে আসা যাওয়া করতে পারলেও বাংলাদেশের মানুষ আসতে পারছে না যেতেও পারছে না। বাংলাদেশের মানুষ বৈধ আসা যাওয়ার ব্যবস্া সচেতন মহল বলছে দু দেশের পারস্পরিক বন্ধুর্ত জোরদার করা সহ   চেকপোস্টের সঙ্গে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাগনা বাজার শুল্ক স্টেশনের সংযোগকারী   সেতুর সংস্কার কাজ দ্রুত শেষ করে কার্যক্রম জোরদার করা এছাড়া রাগনা-বটুলী স্থলবন্দরে অবকাঠামো সংকট সহ সব ধরনের  সমস্যার দ্রুত সমাধান চায় জেলা বাসী।

মৌলভীবাজারের  জুড়ির  বটুলী শুল্ক স্টেশন ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের সঙ্গে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাগনা বাজার শুল্ক স্টেশনের সংযোগকারী সেতু ও অবকাঠামোগত সংকটে ব্যাহত হচ্ছে সীমান্ত বাণিজ্য। দীর্ঘদিন ধরে সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করায় প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ, জনবল সংকট নিরসন এবং যাত্রী পারাপারের সুবিধা নিশ্চিত না হওয়ায় দুই দেশের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এতে এ সীমান্ত দিয়ে বাণিজ্যের স্বাভাবিক গতি ও রাজস্ব আদায় নিয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে দিন দিন কমে যাচ্ছে রাজস্ব। ফলে বিলীনতের পথে বসেছে স্হল বন্দরটি।

স্থানীয় ব্যবসায়ী নাজমুল ইসলাম লিজন,ব্যবসায়ী মামুনুর রশীদ, প্রবীন সাংবাদিক আব্দুর রব শিক্ষক সাইফুল ইসলাম সহ অনেকে অভিযোগ  বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত সেতুটির বাংলাদের অংশটি প্রায় পাঁচ ফুট দেবে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কার্যকর সমাধান হয়নি। ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর কারণে পণ্য পরিবহনে বাড়তি সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। ফলে ব্যবসায়ীদের পরিবহন খরচ বেড়ে যাচ্ছে এবং বাণিজ্য পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ছে।সেতু সংকটের কারনে দুরবস্থায় বাড়ছে পরিবহন ব্যয় বটুলী -রাগনা সীমান্ত দিয়ে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়ে থাকে।

বাংলাদেশ থেকে প্লাস্টিকসামগ্রী, পিভিসি দরজা ও পাইপসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি এবং ভারত থেকে সাতকরা, আদা ও বিভিন্ন ধরনের ফল আমদানির তথ্য রয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শুল্ক স্টেশন-সংক্রান্ত নথিতে। কিন্তু ব্রিজ এর সমস্যা  বাংলাদেশ ও ভারতের পররাষ্ট্র নীতি দুরত্বের কারনে স্হল বন্দর অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

সেতু ও সংযোগ সড়কের দুরবস্থার কারণে পণ্য পরিবহনে বিঘ্ন সৃষ্টি হলে ব্যবসায়ীদের বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হয়। এতে শ্রমিক, পরিবহন ও পণ্য স্থানান্তরের খরচ বাড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত সেতুর দ্রুত সংস্কার এবং নিরাপদ পণ্য পরিবহন নিশ্চিত না হলে এ সীমান্তের বাণিজ্য আরও বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইমিগ্রেশনে বৈষম্যের অভিযোগ-বটুলী ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের কার্যক্রম নিয়েও রয়েছে অভিযোগ। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতীয় নাগরিকেরা এ সীমান্ত দিয়ে যাতায়াতের সুযোগ পেলেও বাংলাদেশি নাগরিকেরা একইভাবে ভারতে যাওয়া-আসার সুবিধা পাচ্ছেন না। ফলে সীমান্তবর্তী মানুষের স্বাভাবিক যাতায়াত এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বৈধ ভ্রমণ নথি থাকা সত্ত্বেও কোনো বিধিনিষেধ থাকলে তার কারণ এবং তা দূর করার উপায়ও স্পষ্ট করা জরুরি।
ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানা গেছে, স্থলবন্দরের জন্য জমি অধিগ্রহণের জন্য ৬৩০ শতক জায়গা চলিত বছরের এপ্রিল মাসে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, স্থলবন্দরে পর্যাপ্ত ভবন, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও জনবলের ঘাটতি রয়েছে। এসব সীমাবদ্ধতা দূর করা না গেলে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, দ্রুত শুল্ক কার্যক্রম পরিচালনা এবং যাত্রীসেবা উন্নত করা কঠিন হবে। প্রশ্ন উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাগুলো বিদ্যমান থাকলেও সেতু মেরামত, জমি অধিগ্রহণ ও অবকাঠামো উন্নয়নের কাজে দৃশ্যমান অগ্রগতি কেন নেই? সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
২০২৩ সালে বাংলাদেশ-ভারতের বাণিজ্য বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হয়েছিল? বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ২০২৩ সালের ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় দুই দেশের বাণিজ্যবিষয়ক যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের ১৫তম বৈঠক। এই বৈঠকের কার্যকর ভুমিকা নেই। শুধু প্রস্তাব পাঠানো বা আশ্বাস নয়, সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে চান তাঁরা।

দ্রুত সমাধানের দাবি-বটুলী-রাগনা সীমান্তের সমস্যাটি শুধু একটি সেতু মেরামতের বিষয় নয়; এর সঙ্গে জড়িত সীমান্ত বাণিজ্য, ব্যবসায়ীদের ব্যয়,।
১৯৯৮ সালে এই স্হল বন্দরটির কাজ শুরু হয় ২০০২ সালে এ স্হলবন্দর দিয়ে ভারত বাংলাদেশ মালামাল আমদানি রফতানি ও পাসপোর্ট নিয়ে লোকজন আসা যাওয়া শুরু করে।

২০২১ সালে রাজস্ব আদায়,হতো বছরে ১৩/১৪ কোটি টাকা। আর সরকার পরিবর্তন এর পর থেকে  বছরে ৯/ ১০ কোটি টাকা রাজস্ব পাচ্ছে।  যাত্রীসেবা এবং দুই দেশের স্থানীয় পর্যায়ের যোগাযোগ।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তাই ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের দাবি—ক্ষতিগ্রস্ত সেতু জরুরি ভিত্তিতে মেরামত করে নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থ। একই সঙ্গে বাংলাদেশি নাগরিকদের বৈধভাবে যাতায়াতের সুযোগ ও প্রযোজ্য ইমিগ্রেশন বিধিনিষেধ সম্পর্কে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে।
দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সীমান্তের ছো অবকাঠামোগত সংকটে ব্যাহত হচ্ছে সীমান্ত বাণিজ্য। দীর্ঘদিন ধরে সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ, জনবল সংকট নিরসন এবং যাত্রী পারাপারের সুবিধা নিশ্চিত না হওয়ায় দুই দেশের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এতে এ সীমান্ত দিয়ে বাণিজ্যের স্বাভাবিক গতি ও রাজস্ব আদায় নিয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত সেতুটির বাংলাদেশ অংশের একটি জায়গা প্রায় পাঁচ ফুট দেবে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কার্যকর সমাধান হয়নি। ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর কারণে পণ্য পরিবহনে বাড়তি সময় ও অর্থ ব্যয়  হচ্ছে। ফলে ব্যবসায়ীদের পরিবহন খরচ বেড়ে যাচ্ছে এবং বাণিজ্য পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ছে।
সেতুর দুরবস্থায় বাড়ছে পরিবহন ব্যয়-বটুলী-রাগনা সীমান্ত দিয়ে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়ে থাকে। বাংলাদেশ থেকে প্লাস্টিকসামগ্রী, পিভিসি দরজা ও পাইপসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি এবং ভারত থেকে সাতকরা, আদা ও বিভিন্ন ধরনের ফল আমদানির তথ্য রয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শুল্ক স্টেশন-সংক্রান্ত নথিতে।
কিন্তু সেতু ও সংযোগ সড়কের দুরবস্থার কারণে পণ্য পরিবহনে বিঘ্ন সৃষ্টি হলে ব্যবসায়ীদের বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হয়। এতে শ্রমিক, পরিবহন ও পণ্য স্থানান্তরের খরচ বাড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত সেতুর দ্রুত সংস্কার এবং নিরাপদ পণ্য পরিবহন নিশ্চিত না হলে এ সীমান্তের বাণিজ্য আরও বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইমিগ্রেশনে বৈষম্যের অভিযোগ-বটুলী ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের কার্যক্রম নিয়েও রয়েছে অভিযোগ। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতীয় নাগরিকেরা এ সীমান্ত দিয়ে যাতায়াতের সুযোগ পেলেও বাংলাদেশি নাগরিকেরা একইভাবে ভারতে যাওয়া-আসার সুবিধা পাচ্ছেন না। ফলে সীমান্তবর্তী মানুষের স্বাভাবিক যাতায়াত এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
বৈধ ভ্রমণ নথি থাকা সত্ত্বেও কোনো বিধিনিষেধ থাকলে তার কারণ এবং তা দূর করার উপায়ও স্পষ্ট করা জরুরি।
ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানা গেছে, স্থলবন্দরের জন্য জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। তবে জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব পাঠানোর পরবর্তী অগ্রগতি কী, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
অন্যদিকে, স্থলবন্দরে পর্যাপ্ত ভবন, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও জনবলের ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব সীমাবদ্ধতা দূর করা না গেলে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, দ্রুত শুল্ক কার্যক্রম পরিচালনা এবং যাত্রীসেবা উন্নত করা কঠিন হবে।প্রশ্ন উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাগুলো বিদ্যমান থাকলেও সেতু মেরামত, জমি অধিগ্রহণ ও অবকাঠামো উন্নয়নের কাজে দৃশ্যমান অগ্রগতি কেন নেই? সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
২০২৩ সালে বাংলাদেশ-ভারতের বাণিজ্য বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হয়েছিল?বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ২০২৩ সালের ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় দুই দেশের বাণিজ্যবিষয়ক যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের ১৫তম বৈঠক। এই বৈঠকের কার্যকর ভুমিকা নেই। শুধু প্রস্তাব পাঠানো বা আশ্বাস নয়, সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে চান তাঁরা।
দ্রুত সমাধানের দাবি
বটুলী-রাগনা সীমান্তের সমস্যাটি শুধু একটি সেতু মেরামতের বিষয় নয়; এর সঙ্গে জড়িত সীমান্ত বাণিজ্য, ব্যবসায়ীদের ব্যয়,।জুড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফজলে রাব্বি চৌধুরী বলেন বক্তব্য টি আমার দায়িত্বের মধ্যে না পড়লেও সমস্যাটি আমি অবগত সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অবগত করবো। জাতীয় সংসদের মহিলা এমপি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্হায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার জহরত আবিদ চৌধুরী যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান বিষয়গুলো নিয়ে আবেদন করতে আমি কথা বলতে পারি।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তাই ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের দাবি—ক্ষতিগ্রস্ত সেতু ও সংযোগ সড়কের অবস্থা জরুরি ভিত্তিতে মেরামত করে নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে।  প্রয়োজনীয় ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ এবং জনবল সংকট নিরসনে  পরিকল্পনা নিতে হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি নাগরিকদের বৈধভাবে যাতায়াতের সুযোগ ও প্রযোজ্য ইমিগ্রেশন বিধিনিষেধ সম্পর্কে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে।দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে  বিষয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও দু দেশের পররাষ্ট্র পর্যায় বসে দ্রুত সমাধান চায় মৌলভীবাজার জেলা বাসী।  

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!