বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

যুবদল নেতার মরদেহ উদ্বার

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: অক্টোবর ২১, ২০২৬, ০১:৫৬ পিএম

যুবদল নেতার মরদেহ উদ্বার

আইন-অপরাধ ডেস্ক: মাগুরায় বাস টার্মিনাল থেকে মো. সাকের হোসেন নামে এক যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোরে টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সাকের হোসেনের মাথার পেছনে একটি ছিদ্রের চিহ্ন পাওয়া গেছে। স্বজনদের দাবি, তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তবে এটি গুলির ক্ষত কি না, তা নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।নিহত সাকের হোসেন মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালী বেপারীপাড়া এলাকার মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে। তিনি মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। পাশাপাশি রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে কাউন্টার মাস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোরে রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে সাকের হোসেনকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে তাকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় তার মাথার পেছনে ছিদ্রের চিহ্ন দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাইনুল হাসান জানান, বুধবার ভোরে কয়েকজন ব্যক্তি সাকের হোসেনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা করে দেখা যায়, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তার মাথার পেছনে ছিদ্রের চিহ্ন থাকায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। বর্তমানে তার মরদেহ হাসপাতালের অস্থায়ী লাশঘরে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

সাকের হোসেনকে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার স্বজনেরা।

মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন (পিপিএম) বলেন, বুধবার সকালে যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মাথার পেছনে একটি ছিদ্রের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

এদিকে, যুবদল নেতা সাকের হোসেনের মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের দাবিতে মাগুরা শহরের প্রধান প্রধান সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।সংগৃহীত ছবি

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!