ডেইলি খবর প্রতিবেদক: ঢাকা আহছানিয়া মিশন আলোকিত বাংলাদেশ নিয়ে বহুবার অপদস্থ হয়েছে। প্রতিষ্টানটি বন্ধ বা বিক্রি না করলে সামনে অপদস্থ আরও হবে।
বকেয়া পাওনা নিয়ে গত ১৩ বছরে অর্ধশত মামলায় পরেছে। পদত্যাগ-চাকরিচ্যুতি হওয়াদের পাওনা আদায়ে শ্রম আইনে দায়ের হওয়া প্রতিটি মামলায় হেরেছে কর্তৃপক্ষ।
ফলে পাওনাদার মামলায় জয়লাভ করে পাওনা আদায় করেও নিয়েছে। এসব দেনা-পাওনা আদায় নিয়ে সাংবাদিক ইউনিয়নের শতবার ঘেরাও আন্দোলনের মুখে পরেছে ঢাকা আহছানিয়া মিশন। কর্তৃপক্ষের একাধিক ব্যক্তিবর্গ গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় পরেছেন। পাওনাদের হাতে অপদস্থও হয়েছেন। সামনের দিনগুলোতে একই ঘটনা পুণরাবৃক্তি আশংকা করা হচ্ছে।
সুত্র জানায়, ঢাকা আহছানিয়া মিশনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান মিডিয়ার শ্রম আইন সম্পর্কে ওয়াকিবহাল না থাকায় তার কারনে ডামের নির্বাহী কমিটি পূর্বের ন্যায় আলোকিত বাংলাদেশ নিয়ে ফের সমস্যার সন্নিকটে। এসবের পিছনে দায়ি ব্যক্তিরা রয়েছেন ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।
সুত্র জানায় ডামকে বিপদে ফেলার কাজটি করছে গোলাাম রহমানের হিসাব রক্ষক আবুল কালাম আজাদ ও কোম্পানি সেক্রেটারি রফিকুজ্জামান রফিক। তারা নিজেদের প্রতারণা আর লুটেপুটে খাওয়া আড়াল করতে নানারকম ফন্দিফিকির করে আলোকিত বাংলাদেশের একাধিব বকেয়া পাওনারকে পাওনা বুঝিয়ে না দিয়ে মামলায় ধাবিত হয়েছে, করেছে।
যেহেতু আলাকিত বাংলাদেশ ঢাকা আহছানিয়া মিশনের অঙ্গপ্রতিষ্টান বলে জানিয়েছেন গোলাম রহমান। তাই আলোকিত বাংলাদেশ নিয়ে তার মাইম্যান আজাদ-রফিক যতো ঝামেলায় জাড়াবেন-করবেন এসবের দায়ভার ঢাকা আহছানিয়ামিশনের ঘারেই এসে পরবে। পাওনাদাররাও আগের মতো পুনরায় ডামকেই চেপে ধরবে।
এদিকে খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের দুর্নীতিবাজ সাব্কে ভিসি ও বর্তমান ডাম প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের ব্যর্থতার কারণে ডুবতে বসেছে ঢাকা আহছানিয়া মিশন।
তিনি দায়িত্বে আসার পর সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজি রফিকুল আলমের রেখে যাওঢা সম্পদের উপর বসে চেটেপুটে খাওয়া ছাড়া তার কোনো কাজ নাই।
অভিযোগ রয়েছে মানবতার মুখোশ পরে মানুষের সাথে দেড় যুগেরও বেশী সময় অমানবিক আচরন করছে ঢাকা আহছানিয়া মিশন (ডাম)। এনজিওটি দান-খয়রাত পাওয়া টাকা ব্যাংকে ডিপোজিট রেখে সুদ খায় ,লুটে খায়। যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে এনজিওটি।
কিন্তু খোজ নিয়ে জানা গেছে, যে পরিমান দান-খয়রাত ও দেশী-বিদেশী অনুদান সংস্থাটি পেয়েছে তা যথাযথ ব্যবহার না করে নানারকম সচেতনামূলক সভা-সমাবেশ, প্রশিক্ষণের মারফতি প্রচারণা চালিয়ে লুটে খাচ্ছে সংস্থাটির চোর সিন্ডিকেট। এতে সংস্থাটির নির্বাহী কমিটির বয়োবৃদ্ধরাও জড়িত বলে জানা গেছে।
প্রতিছর রমজান মাসে ছিন্নমূল-দরিদ্র মানুষকে ইফতার-সেহরী খাওয়ানো বাবদ নানা জায়গা প্রতিষ্টান থেকে বিপুল পরিমান অর্থ পেলেও তা গরীবের পেটে কিন্চিত প্রবেশ করলেও ডামের লুটেরাচক্রের পেটে ঢুকে যাচ্ছে সিংহভাগ অর্থ।
এতেও মারফতি প্রচারণায় আশ্রয় নিয়ে দেখানো হয় গরীব খাচ্ছে-পাচ্ছে। এসব খরচ অপকর্ম ভুয়া অডিটের নামে কাগজ-পত্র তৈরী করা থাকে। এজন্য রয়েছে চৌকশ ছেচ্চর অডিট টিম। এবং এর নেতৃত্বে রয়েছে ঘুষে অডিট নব্য কোম্পানী সেক্রেটারী মো: রফিকুজ্জামান রফিক। চলবে

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :