আইন-অপরাধ ডেস্ক: তিন দিন আগে সৌদি আরবে চলে গেছেন সরফত আলীর স্ত্রী ফাতেমা বেগম। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে সরফত আলী তার তিন সন্তানকে নিয়ে বসতঘরে ঘুমাতে যান। রাত আনুমানিক ১টার দিকে তিনি তিন সন্তানসহ কীটনাশক পান করেন। এরপর ফোন করেন ময়মনসিংহে থাকা তার ফুফুকে। ফোনে বিষয়টি জানান এবং দাবি না রাখতে বলেন।
বিষয়টি জানতে পেরে তার ফুফু বাড়িতে থাকা সরফত আলীর ছোট ভাই রহমত আলীকে খবর দেন। পরে রহমত আলীসহ পরিবারের লোকজন দ্রুত সরফত আলীর বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে চারজনকে উদ্ধার করেন। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ!
তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন। সরফত আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রজনীলাইন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুরা হলো- রজনীলাইন গ্রামের সরফত আলীর মেয়ে মাওয়া আক্তার (১০) এবং ছেলে শামিম মিয়া (৭) ও তামিম মিয়া (২)। তাদের বাবা সরফত আলী (৩৫) বর্তমানে চিকিৎসাধীন।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমদ বলেন, তিন শিশুর মরদেহ বর্তমানে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহগুলো সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।ঘটনার কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।ফাইল ছবি

ডেইলি খবরের সর্বশেষ নিউজ পেতে Google News অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :