বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১

রাজধানী ফাঁকা, দাম কমার আতঙ্কে রাতেই গরু বিক্রি করে দেন ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৬, ২০২৪, ০৪:০৪ পিএম

রাজধানী ফাঁকা, দাম কমার আতঙ্কে রাতেই গরু বিক্রি করে দেন ব্যবসায়ীরা


পবিত্র ঈদুল আজহারের একদিন আগেই রাজধানীর প্রায় সবগুলো পশুর হাট ফাঁকা হয়ে গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন হাটে বেপারীদের আনা গরু প্রায় সবগুলোই বিক্রি হয়ে গেছে। শেষ দিনে দুপুরের আগেই হাটগুলো ফাঁকা হয়ে গেছে। খোজ নিয়ে জানা গেছে  দাম পড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শনিবার (১৫ জুন) রাতে ‘পাড়াপাড়ি’ করে গরু বিক্রি করে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। রাজধানীর মেরাদিয়া, বনশ্রী , হাজারীবাগ, তেজগাঁও ১৬ জুন সোমবার বিকালের মধ্যে হাটগুলো ফাঁকা হতে দেখা গেছে। রাজধানীর এলাকার প্রতিটি অলিগলি দিয়ে লোকজনকে কোরবানির গরু নিয়ে যেতে দেখা গেছে। রোববার (১৬ জুন) বেশ কয়েকজন খামারি ও ব্যাপারীর সঙ্গে কথা বললে তারাও জানান, এবার আতঙ্কের মধ্যে গরু বিক্রি করে দিয়েছেন তারা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে দুপুরের আগেই ফাঁকা তেজগাঁও পশুর হাট। হাট সংশ্লিষ্টরা বলছে, মাঝারি ও ছোট সাইজের গরুর চাহিদা সর্বোচ্চ। ফলে বড় গরু ছাড়া মোটামুটি সবই বিক্রি হয়ে গেছে। যা আছে তাও সন্ধ্যার মধ্যে চলে যাবে বলে আশা তদের।
গত দুইদিনে তেজগাঁও হাটের জন্য নির্ধারিত মাঠ ছাড়া আশেপাশের সব অপ্রধান সড়ক ও গলিতে গরুর উপস্থিতি দেখা গেছে। তবে রোববার ১৬ জুন সকালের পর থেকেই অনেকটা ফাঁকা পশুর হাটটি। বেলা ১টার মধ্যে প্রায় ফাঁকা হয়ে গেছে কলোনি বাজার হাট। প্রধান সড়ক থেকে মাঠ, গুটি কয়েক গরু ছাড়া তেমন পশু চোখে পড়েনি। যা রয়েছে তাও বড় সাইজের গরু।
এদিকে, শেষ দিনে দেখা গেছে হাটে থেকে যাওয়া বেশিরভাগ গরুই বড় সাইজের। নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা এক ব্যবসায়ী জানান, তিনি মোট ৬টা বড় সাইজের গরু নিয়ে এসেছিলেন এর মধ্যে ৪টা বিক্রি হয়েছে। সবথেকে বড় দুইটা রয়ে গেছে। তবে এবার দেখা গেছে ‘কার আগে কে বিক্রি করেন’ এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবার হাটগুলোতে। লোকজন তাড়াহুড়ো করে পশু বিক্রি করে দিয়েছেন। একাধিক বিক্রেতা বলেন, খুব একটা লাভে কেউ বিক্রি করতে পারেননি। দুয়েকটা গরু থেকে হাজার দশেক টাকা এসেছে। দুই হাজার, এক হাজার এর চেয়ে বেশি লাভ খুব কমই হয়েছে। তবে ‘বর্তমানে যে গরু বাজারে আছে, ক্রেতারা যদি একটা একটা করে নিয়ে যান, তাহলে তো গরুই পাবে না বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা।
১৭ জুন সোমবার কোরবানির ঈদ। যে কারণে ব্যবসায়ীদের যেমন বিক্রির তাড়া আছে, ক্রেতাদেরও তর সইছে না। পছন্দের পশু কিনে তারা আল্লাহর খুশির জন্য তা কোরবানি দেবেন। যদিও অনেকে ঈদের দিন সকালেও পশু কিনে থাকেন, কিন্তু সেই সংখ্যাটি খুব বেশি না।
 

 

 

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!