বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১

রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত

প্রকাশিত: ০৮:২৮ এএম, মে ১, ২০২০

রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত

রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করছিলেন মিশুস্তিন। সে সময় জানতে পারেন, তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিডিও কনফারেন্সেই নিজের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবরটি প্রেসিডেন্ট পুতিনকে জানান প্রধানমন্ত্রী মিশুস্তিা। এই ভিডিও কনফারেন্স টিভিতেও সম্প্রচার করা হয়। পরে হাসপাতালে ভর্তি হন রুশ প্রধানমন্ত্রী। গত বৃহস্পতিবার রাশিয়ায় একদিনেই রেকর্ড সাত হাজার ৯৯ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। সবমিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়েছে। তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে সহস্রাধিক মানুষের। গত জানুয়ারিতে সংবিধান সংশোধনের অংশ হিসেবে মিশুস্তিনকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব দেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। এরপরই শুরু হয় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। মিশুস্তিন করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে নানা কর্মকান্ডে যুক্ত ছিলেন। মিশুস্তিন তার দায়িত্ব প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোসভের কাছে হস্তান্তর করেছেন। এতে সায় দিয়েছেন পুতিন। পুতিন মিশুস্তিনকে বলেছেন, 'আপনার সঙ্গে যা হয়েছে তা যে কারও সঙ্গে হতে পারে। আমি সবসময় এ কথা বলে আসছি। আপনি সংক্রমণ ঠেকাতে যা যা করেছেন তা প্রশংসার যোগ্য।' পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যমগুলো রাশিয়ায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তবে পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, ইতালির মতো পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়াতেই সংখ্যার হিসাবে এ তারতম্য হয়েছে। তবে পুতিন চলতি সপ্তাহে বলেছিলেন, স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য যথেষ্ঠ সুরক্ষা সরঞ্জাম বর্তমানে মজুদ নেই। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এ অভিযোগ আসছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবায়ানিন বলেছেন, ‘রাজধানীর বাসিন্দারা বুঝতেই পারছেন না কতটা ঝুঁকির মধ্যে আমরা সবাই বসবাস করছি।’ এ সময় তিনি বাসিন্দাদের লকডাউনের বিধান না ভেঙে ঘরে থাকার আহ্বান জানান। হাসপাতালের আইসোলেশনে যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী মিশুস্তিন নিজেও জনগণকে এ আহ্বান জানিয়ে গেছেন। তবে বিবিসির মস্কো সংবাদদাতা সারা রেইনসফোর্ড লিখেছেন, মস্কোয় গরম পড়তে শুরু করছে। গরম আরও বাড়লে জনগণকে ঘরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। ফলে জনগণকে লকডাউন মানতে বাধ্য করার জন্য পুলিশের টহল আরও জোরদার করা হচ্ছে।
Link copied!