রবিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১

ডলারের একক রেট নির্ধারণের সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত: ০৯:২৯ পিএম, মে ২৬, ২০২২

ডলারের একক রেট নির্ধারণের সিদ্ধান্ত

ডলারের দাম স্থিতিশীল রাখতে একক রেট নির্ধারণ করা হবে। বৃহস্পতিবার দেশের ব্যাংকারদের সাথে গভর্নরের আলোচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ডলারের দাম স্থিতিশীল রাখার উপায় নিয়ে, আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, রেমিট্যান্স বাড়ানোসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় উঠে এসেছে। বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর জন্য ডলারের একক রেট নির্ধারণ করবেন। তারপরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আন্তঃব্যাংকের জন্য ডলারের একক রেট নির্ধারণ করে দেবে। তাতে ডলারের বাজার স্থিতিশীল থাকবে। এছাড়া রেমিট্যান্সের ওপর নগদ সহায়তা বাড়িয়ে প্রবাসীদের উৎসাহ দিয়ে রেমিট্যান্স আয় বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে ব্যাংকাররা। বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, রোববারের মধ্যে ডলারের একক রেট নির্ধারণ করবেন ব্যাংকাররা। এরপর আন্তঃব্যাংক লেনদেনে ডলারের একক দর বেঁধে দিবে বাংলাদেশ ব্যাংক। তিনি বলেন, ‘এক ব্যাংকের রপ্তানি বিল অন্য ব্যাংকের কাছে বিক্রি করা যাবে না। ডলারের সংকট মেটাতে প্রয়োজনীয় তারল্য সহায়তা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।’ এদিকে, গত ২৩ মে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার ৪০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৭ টাকা ৯০ পয়সা নির্ধারণ করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে এক মাসের ব্যবধানে টাকার মান কমলো ১ টাকা ৭০ পয়সা। গত ২৬ এপ্রিল প্রতি ডলার ৮৬ টাকা ২০ পয়সা বেচাকেনা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংক দর নির্ধারণ করে দেওয়ার পরেও ব্যাংক ও খোলাবাজারে বেশি দামে ডলার বেচাকেনা হচ্ছে। গত কয়েক দিনে অনেক ব্যাংক প্রবাসী ও রপ্তানিকারকদের থেকে ৯৫ টাকা দরে ডলার কিনেছে। আমদানিকারকদের কাছে তা বিক্রি করেছে ৯৭ টাকা দরে। এছাড়া খোলাবাজারে ডলার ৯৮ থেকে ৯৯ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। ডলারের বাজার স্থিতিশীল রাখতেই আজ বৈঠকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ডলারের একক রেট নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
Link copied!