বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০

খালেদা জিয়া তারেক ফখরুলের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ

প্রকাশিত: ০৫:০৩ এএম, ডিসেম্বর ১১, ২০২০

খালেদা জিয়া তারেক ফখরুলের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুর ও ভাস্কর্যবিরোধী প্রচারণায় উসকানি দেয়ার অভিযোগে খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন খারিজ করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত শিকদার এ আদেশ দেন। বুধবার এ মামলার আবেদন করেন জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী। ওই দিন বাদীর জবানবন্দি শুনে বিষয়টি বৃহস্পতিবার আদেশের জন্য রাখেন। মামলার আর্জিতে হেফাজতে ইসলামের আমীর জুনাইদ আহমেদ বাবুনগরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মুহাম্মদ মামুনুল হক ও ইসলামী আন্দোলনের নেতা সৈয়দ ফয়জুল করিমকেও আসামি করা হয়েছিল। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ‘স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করে বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানানো ও জাতির পিতার চিহ্ন মুছে ফেলার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে স্বাধীনতাবিরোধী পাকিস্তানিদের দালাল চক্র খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ইসলামিক জঙ্গিবাদী গোষ্ঠী গুণ্ডাবাহিনী দিয়ে ৪ ডিসেম্বর রাতে কুষ্টিয়ায় জাতির পিতার ভাস্কর্যের একটি হাত এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুদার ভাস্কর্যের একটি কান ভেঙে দেয়।’ আরজিতে বাদী বলেন, ন্যায়বিচারের স্বার্থে দণ্ডবিধির ৫০০/৫০৬/১০৯ ও ৪২৭ ধারায় তাদের আসামি করে, অপরাধ আমলে নিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করছি। ১৩ নভেম্বর রাজধানীর তোপখানা রোডের বিএমএ ভবন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল ‘বাংলাদেশে কোনো ধরনের ভাস্কর্য থাকবে না এবং জাতির পিতার ভাস্কর্য করতে দেয়া হবে না’- এমন হুমকি দেন বলে আরজিতে অভিযোগ করা হয়। আর ২৭ নভেম্বর চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে হেফাজতের আমীর বাবুনগরী সরকারের প্রতি ‘ভাস্কর্য নির্মাণ বন্ধ না করলে আরও একটি শাপলা চত্বর ঘটানোর’ হুমকি দেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিন বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতা ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন করা হয়েছিল। সে আবেদনটিও বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামস জগলুল হোসেন মামলাটির আবেদন ফেরত দিয়েছেন। এ মামলার বাদী বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল মালেক বলেন, আদালত থানায় মামলাটি করতে মৌখিকভাবে আদেশ দিয়েছেন। এ মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৩ নভেম্বর বিএমএ মিলনায়তনে বাংলাদেশ যুব খেলাফত মজলিসের ঢাকা মহানগর শাখার সমাবেশে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণের বিরোধিতা করে মামুনুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য গড়তে দেয়া হবে না। প্রয়োজনে লাশের পর লাশ পড়বে। আবার শাপলা চত্বর হবে।
Link copied!