বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১

আরো পাঁচ বছর সময় চাইল আওয়ামী লীগ

প্রকাশিত: ০৪:১০ এএম, জুলাই ৩০, ২০২০

আরো পাঁচ বছর সময় চাইল আওয়ামী লীগ

দলের সব পর্যায়ের কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) আরো পাঁচ বছর সময় বাড়াতে বলল ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। গতকাল বুধবার নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে ইসি সচিব মো. আলমগীর সাংবাদিকদের এ কথা জানান। সচিব বলেন, দলটি ২৫ সালের মধ্যে ৩৩ শতাংশ নারী পদ পূরণের বিধান প্রস্তাবিত নতুন আইনে রাখার জন্য মতামত দিয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের শর্ত মোতাবেক ২০২০ সালের মধ্যে দলের সব পর্যায়ের কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী পদ পূরণের বিধান রয়েছে। সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন আরপিও থেকে দল নিবন্ধনের বিধানটি তুলে দিয়ে ‘রাজনৈতিক দল নিবন্ধন আইন-২০২০’ নামে নতুন একটি আইন প্রণয়নের প্রস্তাব করে দল এবং নাগরিকদের কাছে মতামত চেয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগসহ ১৬টি নিবন্ধিত দল, ১০টি অনিবন্ধিত দল এবং ১০ জন ব্যক্তি মতামত দিয়েছেন। বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলো এ ধরনের পরিবর্তনের বিপক্ষে। ইসি সচিব বলেন, ‘যে মতামতগুলো আমরা পেয়েছি তা মিশ্র। কেউ বলেছেন নারী সদস্য পূরণের বিষয়ে উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রের জন্য আলাদা সময় বেঁধে দিতে হবে। কেউ বলেছেন নারী সদস্য পদ পূরণে সময় আর না বাড়াতে। এ ছাড়া অন্যান্য বিষয়েও তাঁরা মতামত দিয়েছেন। আমরা এসব মতামত একীভূত করছি। এই মতামত কমিশনের কাছে দেওয়া হবে। ৩১ জুলাই মতামত দেওয়ার সময় শেষ। আর সময় বাড়ানো হবে না। এর পরই যৌক্তিক মতামতের ভিত্তিতে নতুন দল নিবন্ধন আইনের খসড়া চূড়ান্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।’ এর আগে গতকাল আওয়ামী লীগের মতামত ইসি সচিবের কাছে জমা দিয়েছেন দলের প্রচার সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ ও দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া। পরে আবদুস সোবহান গোলাপ সাংবাদিকদের বলেন, ‘৫০ শতাংশ নারী সদস্য পদ পূরণের পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রীর যে দৃঢ় ভূমিকা রয়েছে, আমরা সেভাবেই আমাদের মতামত দিয়েছি।’ ইসি প্রস্তাবিত দল নিবন্ধনের নতুন আইনের খসড়ায় দলের সকল পর্যায়ের কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য পদ পূরণের বিষয়ে সময়ের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এতে দলগুলো নিজেদের গঠনতন্ত্রে কত দিনের মধ্যে নারী সদস্য পদ পূরণ করবে তা উল্লেখ করবে এবং ইসিকে সময় সময় সেই প্রতিশ্রুতির অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করবে। খসড়া আইনে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর এবং এসব প্রতিষ্ঠানের জনপ্রতিনিধিদের নাম বাংলায় রূপান্তরের বিধানও রাখা হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় বিভাগ তাতে সম্মত নয়।
Link copied!