সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ডাম গোলামকে গোলমালে ফেলে ফায়দা লুটছে রফিক-আজাদ সিন্ডিকেট, প্রশাসক বসতে পারে

ডেইলি খবর ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ২৪, ২০২৬, ১১:০০ পিএম

ডাম গোলামকে গোলমালে ফেলে ফায়দা লুটছে রফিক-আজাদ সিন্ডিকেট, প্রশাসক বসতে পারে

আইন-অপরাধ ডেস্ক: ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনে অতি দ্রুত সরকারি প্রশাসক নিয়োগ না হলে বেহাত হতে পারে সংস্থাটির নামে থাকা হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ। লুটপাট হতে পারে জমানো অর্থ।
একাধিক মন্ত্রণালয় সুত্রগুলো জানিয়েছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের নামে থাকা সম্পদ রক্ষায় দ্রুতই প্রশাসক নিয়োগ হতে পারে। ডেইলি খবরে প্রকাশিত রিপোর্ট তাদের নজরে এসেছে। 
এদিকে ডামের শয়তানদের নিয়ে সংবাদ প্রকাশের কারণে মানহানির মামলার নামে লুটপাটের নতুন ফন্দিফিকিরের আয়োজন করেছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের কোম্পানী সেক্রেটারি ও অডিট ঠিকাদার বাটপার মো: রফিকুজ্জামান রফিক ও হিসাবরক্ষক মো: আবুল কারাম আজাদ। এর নের্তৃত্বে রয়েছেন খোদ ডাম প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম রহমান ওরফে গোলমাল।
ডাম সুত্র জানায় গোলামের মাইম্যান ও কলারম্যান মো: আবুল কালাম আজাদ এনজিও ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনে প্রতিবন্ধী কুটায় ১৫-২০ হাজার টাকার বেতনে একটি চাকরির সন্ধানে ওখানে কর্মরত তার বন্ধু কোং সেক্রেটারি মো: রফিকুজ্জান রফিকের কাছে গিয়েছিলেন। খুব ধুরন্ধর কৌশলী রফিক ডাম ভাইস-প্রেসিডেন্ট কাজী শরিফুল আলমকে সামনে রেখে আজাদকে  ডামের হিসাব রক্ষক পদে সর্বসাকুল্যে ৪৫ হাজার টাকা বেতন ধরে নিয়োগ দিয়ে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের কাছে ডেপুটেশনে প্রেরণ করেন। 
ডেপুটেশনে কাজ করতে এসে পত্রিকাটিই দখল করে নেয় আজাদ। সাথে লাখ টাকা বেতন ধরে নিজেকে যুগ্ম সম্পাদক ঘোষনাও করেন তিনি। এসব অবৈধ কাজে নানারকম সুবিধার বিনিময়ে আজাদকে গোলাম সহযোগীতা দিয়েছেন। 
আইনগতভাবে পত্রিকার দিকনির্দেশনা ও নিয়োগ প্রদান করার ক্ষমতা গোলামের না থাকলেও তিনি চোর সিন্ডিকেট নিয়ে গায়ের জোরে এসব করেছেন। বুড়ো গোলাম জীবনে মানবতার সেবা না করেও এখন মানবতার ফেরিওয়ালার রুপ ধারন করেছেন। 
ফ্র্যাসিবাদ সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে কাজে লাগিয়ে দখল করেছেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন। তার বিরুদ্ধে যৌবনে যৌন-নিপিড়কের অভিযোগ এবং খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তার থাকার কথা এখন জেলে, কিন্তু না, তিনি এখন আছেন রাজার হালে! ডামে ঢুকে হয়েছেন মানবতার ফেরিওয়ালা।
এদিকে সুত্র জানায় পত্রিকাটির ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শামীম সিদ্দিকী’র অফিস রুম আজাদ দখল করে মোর্শেদ নামের একজনকে বসতে দেয়। এছাড়া ব্যবস্থাপনা সম্পাদককে অফিসে যেতে অফিসের গাড়িও আটকে দেয় আজাদ। জানা গেছে গত ২৪ মাস যাবত আজাদ-রফিক-গোলাম ইতর সিন্ডিকেট ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের বেতন-ভাতা বন্ধ রেখে মাস্তানী দেখাচ্ছে। হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। ৮ম ওয়েজবোর্ডের স্থায়ী চাকরির বকেয়া বেতন ভাতা পরিশোধের শতবার তাগিদ দেওয়া সত্বেও গোলামের বাটপার সিন্ডিকেট নানারকম টালবাহানা করছে। 
দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকাটি জন্মলগ্ন থেকেই এর বেতন ভাতা পরিশোধ নিয়ে, প্রতিষ্ঠানটি ছেড়ে যাওয়া সাংবাদিকদের পাওনা আদায়ে শতশত বার ঘেরাও-আন্দোলনের মুখে পরেছে। অতীতে তাদের কোনো ভালো রেকর্ড নেই। তাদের খারাপ আচার-আচরন সম্পর্কে ধানমন্ডি মডেল থানা, স্থানীয় প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থাসহ সর্বস্তরের মিডিয়া কর্মিরা অবহিত।
এবারও বিষয়টি জানা-জানি হলে ডেইলি খবর অনলাইন নিউজ পোর্টালে ধারাবাহিকভাবে এসব চোর সিন্ডিকেটের নানা অনিয়ম-লুটপাটের তথ্য প্রকাশ হওয়ায় তারা ক্ষেপে যায়। শামীম সিদ্দিকী’র বকেয়া পরিশোধ না করে উল্টো মানহানির মামলা দায়ের করে হয়রানি করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সুত্র জানায়, চোর সিন্ডিকেট ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের নামে থাকা বিপুল পরিমান জমি-সম্পদ ও দান-খয়রাতের অর্থ লুটে নিচ্ছে। নানা কৌশলে যে যার মতো করে লুটে খাচ্ছে। ডামের নামে এই বিপুল পরিমান সম্পদ সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম রেখে গেছেন বলে জানা গেছে। 
অভিযোগ রয়েছে ডামের চোর সিন্ডিকেট ইতোমধ্যে ডামের অনেক জমি-সম্পদ ও প্রতিষ্ঠান বিক্রয় করেছেন। আশংকা করা হচ্ছে ডামের নিয়ন্ত্রণে থাকা প্রতিষ্ঠান দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ থেকে নানাভাবে লুটে নেওয়া চক্রটি লুট করে আলোকিত বাংলাদেশকে বিপুল দেনায় ফেলে চক্রটি পালিয়ে যেতে পারে।  এসব অভিযোগ নিয়ে প্রেসিডেন্ট (ডাম) প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের সাথে যোগাযোগ করে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। 
ডাম সুত্র জানায়, চোর সিন্ডিকেট আলোকিতর বেতন-ভাতা, অফিস ভাড়া, ছাপা খানার বিল, বিজ্ঞাপন এজেন্সির বকেয়া পাওনাসহ নানা খাতের বিপুল পরিমান দেনা ডামের ঘারে রেখে একই সাথে নিজেদের আখের গুছিয়ে সটকে পরলে দায় নেবে কে?
সুত্র জানায় পত্রিকাটির সম্পাদক প্রকাশক কাজী রফিুল আলম গত ২ বছর আগেই পদত্যাগ করেছেন বলে বলা হলেও গোলাম কৌশলে নিজের ফায়দা লুটতে পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনে কাজী রফিকুল আলমের নাম এখনো ছাপছেন। কিন্ত কাজী রফিকুল আলম এসব প্রতারক চক্রের প্রতারণার কোনো তথ্যই তিনি জানেননা। তিনি গুরুতর অসুস্থ, চলাচল করতেও পারেন না, কথাও বলতে পারেননা। তার নাম ব্যবহার করে গোলাম সিন্ডিকেট চক্র গত ২ বছরে ২ কোটি টাকারও বেশী উপার্জন করে নিয়েছেন গোলাম-আজাদ-রফিকুজ্জামান চক্রটি। কেউ প্রতিবাদ করলে তার বিরুদ্ধে হামলা-মামলার ভয় দেখান গোলামচক্র।
সুত্রে পাওয়া নথিতে দেখা যায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন থেকে মো: হাবিবুর রহমান, উপ-পরিচালক, মানব সম্পদ কর্তৃক স্বাক্ষরিত সূত্র ডাম/এইচ. আর/১০১. ৭/২০২২-৬০৯১। গত ০৬/০৬/২০২২ ইং তারিখে সিনিয়র অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড অ্যাডমিন অফিসার আবুল কালাম আজাদকে  ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন, থেকে আলোকিত বাংলাদেশে হেড (অ্যাকাউন্ট অ্যান্ড অ্যাডমিন) হিসাবে ডেপুটেশনে প্রেরণ করা হয়েছে।
সর্বসাকুল্যে ৪৫,০০০/-হাজার টাকা বেতন নির্ধারন করে ডেপুটেশনে কর্মকালীন তার চাকরি আলোকিত বাংলাদেশের নিয়মানুযায়ী পরিচালিত হবে বলে অফিস আদেশে বলা হয়েছে। 
ডেপুটেশনে এসে আজাদ সমস্ত নিয়মকানুন বিধিবিধান অমান্য করে ডামের গোলামের অবৈধ নির্দেশে নিয়নন্ত্রে নিয়ে বেআইনিভাবে সমস্ত কার্যক্রম গায়ের জোরে চালিয়ে যাচ্ছেন। বিষয়টি আলোকিত মিডিয়া লিমিটেডের কেউ জানেননা বলে জানিয়েছেন। আলোকিত বাংলাদেশের ভোগ দখল কারিরাও কেউ মুখ খুলতে রাজি হননি।
এদিকে একটি সুত্র জানায় ঢাকার বাইরে কর্মরত জেলা-উপজেলা  প্রতিনিধিদের সাথে যোগাযোগ করে আজাদ বলে দিয়েছেন তিনিই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারি ও সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। তার সাথে যোগাযোগ না রাখলে থাকতে পারবেননা। আজাদ সব জায়গায় বলেছেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রেসিেিডন্ট গোলাম রহমান তার নিকটতম আত্মীয় এবং অন্যান্যরাও তার ঘনিষ্ঠ কাছের লোক। তিনি যা বলবেন তা শুনতে বাধ্য ঢাকা আহ্ছানিয়্ মিশন। আবুল কালাম আজাদকে নিয়ে নানারকম অনৈতিক-দুর্নীতি,মাস্তানিহ এন্তার অভিযোগ নিয়ে একাধিক নামে-বেনামে লিখিত অভিযোগের চিঠি গোলামের কাছে গেলেও তার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি, তদন্তও করেননি। কারন হিসাবে সুত্রগুলো জানায় ডাম প্রেসিডেন্ট নিজেই গোলমালের গোলাম, দুর্নীতিবাজ খারাপ লোক।
এদিকে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন থেকে জানা গেছে ডামের নিয়ন্ত্রণাধীনে থাকা দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের বিরুদ্ধে চোর সিন্ডিকেট মানহানির মামলা দায়ের করেছে। কারণ সিন্ডিকেটের নানারকম অনিয়ম-দুর্নীতি ও বাটপারি-মাস্তানির খবর ডেইলি খবরে প্রকাশিত হওয়ায় তারা এর দায় চাপাতে চায়। মামলা দায়েরের নামে নতুন করে অর্থ লুটের ফন্দিফিকির শুরু করেছে আজাদ-রফিক গং। মামলা খরচের কথা বলে কোন খাত থেকে তাদের ব্যক্তিগত মামলার ব্যয় নির্বাহ করা হচ্ছে,হবে তা নিয়ে ডামে চলছে সমালোচনা। চলবে..

 

 

ডেইলি খবর টুয়েন্টিফোর

Link copied!